1. abusayedatnkh@gmail.com : Abu Sayed : Abu Sayed
  2. info@jtv.com.bd : TV :
শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন

শোকের দিনে রাজধানীতে ঝরল ১১ প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চকবাজারে আগুনে নিহতদের স্বজনের আহাজারি। ইনসেটে উত্তরার দুর্ঘটনা।

সারাদেশে যখন সবাই শোক দিবস পালন করছে তখন এই শোকের দিনকে আরও ভারী করে দিল দুটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর চকবাজারের কামালবাগের দেবিদ্বার ঘাটে একটি পলিথিন কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এছাড়া রাজধানীর উত্তরায় বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের গার্ডার পড়ে প্রাইভেটকারের ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুইজন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

জানা গেছে, প্রাইভেটকারে একই পরিবারের সাত সদস্য ছিলেন। এদের মধ্যে ৫ জন মারা গেছেন। তারা হলেন- রুবেল (৬০), ফাহিমা (৪০), ঝরনা (২৮), জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

একই দুর্ঘটনার শিকার হলেও বেঁচে আছেন ২ জন। তারা আহত হয়েছেন। এ দুজন হলেন হৃদয় ও রিয়া মনি। তারা গত শনিবার বিয়ে করেছেন। আহত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উত্তরা জসীম উদ্দীন এলাকায় আড়ংয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর প্রাইভেটকার থেকে নিহতদের কোনোভাবেই বের করা যাচ্ছিল না। গার্ডারের নিচে প্রাইভেটকারটি চাপা পড়ে থাকায় মরদেহ বের করতে পারছিলেন না ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পরে এক্সক্যাভেটর দিয়ে গার্ডার সরিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

ফায়ার সার্ভসের ঢাকা জোন-৩ উপ সহকারী পরিচালক সাইফুজ্জামান বলেন, ১৫০ টন ওজনের গার্ডার হওয়ায় উদ্ধার কাজ শুরু করা যায়নি। পরে এক্সক্যাভেটর আনা হয়। এক্সক্যাভেটর আনতে দেরি হওয়ায় উদ্ধার কাজে বিলম্ব হয়। তিন ঘণ্টা পর এক্সক্যাভেটর দিয়ে গার্ডার একটু উঁচু করে প্রাইভেটকারের ভেতর থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে রাজধানীর চকবাজারের দেবিদ্বার ঘাটে পলিথিন কারখানায় দুপুর ১২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিটের আড়াই ঘণ্টার চেষ্টার পর দুপুর ২টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা সদরের জোন-১ এর উপ-সহকারী পরিচালক মো. বজলুর রশিদ বলেন, নিহত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনের শরীর এমনভাবে পুড়ে গেছে যে তাদের চেহারা দেখে চেনার উপায় নেই। আগুনে পুড়ে ওই পাঁচ মরদেহের হাড় বেরিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আরেকজনের চেহারা দেখে কিছুটা বোঝা যাচ্ছে। মরদেহগুলো দেখে প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, তারা ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের শুরুর দিকেই হয়তো তারা মারা গেছেন। এরপর আগুনে আরও বেশি করে পুড়ে গেছে তাদের দেহ।

প্রতক্ষদর্শী জানান, ভবনের নিচতলায় থাকা হোটেলে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। সেটি ডান দিক দিয়ে বের হয়ে উপরে উঠে যায়। সেখান থেকেই পলিথিন কারখানায় আগুন লাগে।

নিহত ছয়জনের মধ্যে চারজনের পরিচয় প্রাথমিকভাবে পাওয়া গেছে। তারা হলেন- মো. শরিফ (১৫), মো. বিল্লাল (৩৫), মো. স্বপন (২২), মো. ওসমান (২৫)। অপর দুজনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে পরিচয় নিশ্চিত হলেও ডিএনএ পরীক্ষা করার পরই মরদেহ হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
জনতা মাল্টিমিডিয়া© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট